এই চারজন ক্রিকেটার যারা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দুবার ট্রিপল সেঞ্চুরী করেছেন

একটি ধীর গতির ফরম্যাট টেস্ট ক্রিকেট এই খেলায় এমন অনেক খেলোয়াড় রয়েছেন যারা তাদের আক্রমনাত্মক ব্যাটিং-এর জন্য অনেকের মন জয় করেছেন। বর্তমানে টি-২০ এবং একদিনের খেলা অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও ক্রিকেট বোদ্ধারা টেস্ট ক্রিকেটকেই প্রকৃত খেলা মনে করেন। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যারা টেস্ট ক্রিকেটে দুবার ট্রিপল সেঞ্চুরী হাঁকিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি খেলোয়াড় ডন ব্র্যাডম্যান টেস্ট ক্রিকেটে তার নিজস্ব পরিচয় তৈরি করেছিলেন। তিনি তার টেস্ট ক্যারিয়ারে দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন আর দুটিই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ডন ব্র্যাডম্যান ১৯৩০ সালে হেডিংলিতে ৩৩৪ রান করেছিলেন। এরপর ১৯৩৪ সালেও একই মাঠে ৩০৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি খেলোয়াড় ব্রায়ান লারা। আলাদা করে আর পরিচয়ের দরকার নেই। অ্যান্টিগায় তিনিও দুটি ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন। ডন ব্র্যাডম্যানের মত তিনিও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে ব্রায়ান লারা ৩৭৫ রান করেছিলেন। এই রেকর্ডটি বহু বছর টিকে ছিল কিন্তু ম্যাথু হেডেন ভেঙে দেন। এরপর ২০০৪ সালে ব্রায়ান লারা ৪০০ রানের একটি অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন।

ভারতের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। ২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরে এসে মুলতানের মাটিতে তিনি ৩০৯ রানের একটি দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এই বিধ্বংসী ওপেনার ৩১৯ রানের একটি স্মরণীয় ইনিংস খেলেছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি মাত্র ৭ রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি মিস করেছিলেন।

ব্রায়ান লারার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টেস্টে দুবার ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন ক্রিস গেইল। ২০০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি ৩১৭ রান করেছিলেন। এরপর ২০১০ সালে তিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গেইল টেস্টে ৩৩৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। টি-টোয়েন্টির মত টেস্ট ক্রিকেটেও গেইলের বিশেষ অবদান রয়েছে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published.